• ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ravi Shastri

খেলার দুনিয়া

গতির কামাল:‌ আইপিএল-এ চমক দিয়ে জাতীয় দলের অপেক্ষায় এই কাশ্মীরি তরুণ

গতবছর আইপিএলে বলের গতি দিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উমরান মালিক। চলতি আইপিএলে প্রতি ম্যাচেই নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। নিয়মিত বোলিং করছেন ঘন্টায় ১৫০ কিমি গতিতে। প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন। ২০২২ আইপিএলে তাঁর দ্রুততম বলটির গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.১ কিমি। যে বলটি চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে উমরান মালিকের হাত থেকে বেরিয়েছিল। সোমবার গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে তাকেও ছাপিয়ে গেছেন। এদিন তাঁর একটা বলের গতি ছিল ঘন্টায় ১৫৩.৩ কিমি।উমরান মালিকের বলে গতি দেখে মু্গ্ধ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। ভারতের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী আগেই উমরানের বলের গতির প্রশংসা করেছিলেন। এবার জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলারকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিমি মনে করছেন। উমরান মালিক খুব দ্রুতই দেশের হয়ে খেলবেন। এমনকি এই তরুণ জোরে বোলারকে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার পরামর্শ দিয়েছেন মাইকেল ভন। মাইকেল ভন টুইট করে বলেছেন, উমরান মালিক খুব শীঘ্রই ভারতের হয়ে খেলবেন। আমি যদি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকতাম, তাহলে এই গ্রীষ্মে উমরানকে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পাঠাতাম। যাতে তার বোলিংয়ের উন্নতিতে সাহায্য করা যায়। এই মুহূর্তে আইপিএলে কমেন্ট্রি করছেন মাইকেল ভন। খুব কাছ থেকে উমরান মালিকের বোলিং দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। ভন মনে করছেন, অদূর ভবিষ্যতে ভারতীয় দলে জায়গা করে নেবেন জম্মু ও কাশ্মীরের এই তরুণ জোরে বোলার। শুধু মাইকেল ভনই নন, এর আগেই রবি শাস্ত্রীর মুখ থেকেও একই কথা শোনা গেছে। ভারতীয় দলে হেড কোচ থাকার সময় উমরান মালিককে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন শাস্ত্রী। সেই সময় উমরান ভারতীয় দলে নেট বোলার হিসেবে ছিলেন। নেটে উমরান মালিকের বোলিং দেশে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাদেমিতে রাখার। যাতে উমরান নিজের দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে পারেন।গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে গতি দিয়ে দারুণ নজর কেড়েছেন উমরান মালিক। তাঁর প্রথম ডেলিভারিটি ছিল একটি বিষাক্ত বাউন্সার। যা হার্দিক পান্ডিয়ার হেলমেটে ছোবল মেরেছিল। গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক ম্যাচের পরে স্বীকার করেছিলেন যে, উমরানের ওই বাউন্সার তাঁকে তাতিয়ে দিয়েছিল। পরের দুটি বলে অবশ্য বাউন্ডারি মেরেছিলেন হার্দিক। দারুণ গতিতে বোলিং করলেও উমরানের সব থেকে বড় সমস্যা হল ধারাবাহিকতার অভাব। নির্দিষ্ট লেংথে বোলিং করতে পারেন না উমরান মালিক। যার ফলে তিনি অনেক বেশি রান দিয়ে ফেলেন। মালিকের ঈর্ষণীয় গতি ছাড়াও জোরে বোলার হিসেবে অনেক কিছু আছে। তাঁর শরীর আদর্শ ক্রীড়াবিদসুলভ। মসৃণ রান আপ। বোলিং অ্যাকশনও দারুণ। এসবই তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত। এই বছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে তাঁকে ধরে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যে ভুল করেনি, প্রমান করেই চলেছেন উমরান মালিক।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌‌বিশ্বকাপ জেতেনি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার?‌ কী বললেন শাস্ত্রী

মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড পাওয়ার পর ভারতীয় দলকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। লালবলের ক্রিকেটে তাঁর নেতৃত্বেই দীর্ঘদিন শীর্ষে ছিল ভারত। একদিনের ক্রিকেটেও দুর্দান্ত সাফল্য। তবে একটাই আক্ষেপ, কখনও আইসিসির প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। এরজন্য কোহলিকে অনেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। বিশ্বকাপ জেতেননি বলে কোহলি খারাপ ক্রিকেটার, এমনটা মনে করছেন না রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় দলের এই প্রাক্তন হেডস্যার বলেন, একজন ক্রিকেটারকে বিশ্বকাপ জয়ের মাপকাঠি দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন ধরে সেই ক্রিকেটার কেমন খেলছে, আইকন হয়ে উঠেছে কিনা সেটা দেখতে হবে। অনেক বড় বড় ক্রিকেটারও বিশ্বকাপ জেতেনি। সৌরভ, কুম্বলে, দ্রাবিড়, লক্ষ্মণও তো বিশ্বকাপ জেতেনি। তাহলে এরা খারাপ ক্রিকেটার হয়ে গেল? বিশ্বকাপ জেতার জন্য শচীন তেন্ডুলকারকে ৬টি বিশ্বকাপ খেলতে হয়েছে। আমাদের দেশে মাত্র দুজন অধিনায়ক বিশ্বকাপ জিতেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা ও লালবলের ক্রিকেটে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ভারতের তুলনায় অনেক কম শক্তিশালী ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এইরকম দলের কাছে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে পরাজয় অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। শাস্ত্রী অবশ্য মনে করছেন, এই হারে সমর্থকদের বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ভারতের এই ব্যর্থতা সাময়িক। সব ম্যাচ কখনোই জেতা সম্ভব নয়। ৫ বছর ধরে ভারত বিশ্বের একনম্বর দল ছিল। সাফল্যের অনুপাত ৬৫ শতাংশ। হঠাৎ করে তাদের পারফরমেন্স নেমে যাবে? এই ব্যর্থতা কাটিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভারত ঘুরে দাঁড়াবে। গতবছরই টি২০ নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পরে একদিনের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেন জাতীয় নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ হারের পরের দিনই টেস্ট ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কোহলি। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোহলির ব্যক্তিগত ব্যাপার। ওর এই সিদ্ধান্তকে সবাইকে সম্মান জানাতেই হবে। সুনীল গাভাসকার, শচীন তেন্ডুলকার, মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো অধিনায়করাও ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেওয়ার জন্য নেতৃত্ব ছেড়েছিল।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : একদিনের ম্যাচে কবে নেতৃত্ব ছাড়ছেন বিরাট কোহলি?‌ বড় ইঙ্গিত দিলেন রবি শাস্ত্রী

আগেই ঘোষণা করেছিলেন বিশ্বকাপের পরই টি২০ ক্রিকেটে দেশকে আর নেতৃত্ব দেবেন না। সেই মতো রোহিত শর্মার হাতে টি২০ দলের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। একদিনের ম্যাচেও বিরাট কোহলির হাতে নেতৃত্ব থাকবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার আগেই সসম্মানে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন বিরাট কোহলি। এমনই জানিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। পাশাপাশি টি২০ বিশ্বকাপে দেশের ব্যর্থতার জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে আবার কাঠগড়ায় তুলেছেন রবি শাস্ত্রী। সংবাদ মাদ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, দীর্ঘদিন জৈব সুরক্ষা থাকার ফলে ক্রিকেটাররা মানসিকভাবে ক্লান্ত ছিল। এটাই ব্যর্থতার মূল কারণ। ঠাসা ক্রীড়াসূচির কারণে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার টানা ৬ মাস বাড়ির বাইরে। এমন অনেক ক্রিকেটার রয়েছে, যারা তিন ধরণের ফরম্যাটেই নিয়মিত খেলেছে। ফলে সব মিলিয়ে বছরে ২৫ দিনের বেশি বাড়িতে কাটানোর সময় পায়নি। মানসিক ক্লান্তি নিয়ে সেরাটা দেওয়া যায় না। যেটা হয়েছিল পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড ম্যাচে। সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডের উচিত, ক্রিকেটারদের মানসিক ক্লান্তির কথা মাথায় রেখে ক্রীড়াসূচি তৈরি করা। বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর কপিলদেবও ঠাসা ক্রীড়াসূচি, সঠিক সূচি নির্ধারণের কথা বলেছিলেন। কপিলদেবের বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন রবি শাস্ত্রী। শুধু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সমালোচনা করেই থেমে থাকেননি রবি শাস্ত্রী। বিরাট কোহলির নেতৃত্ব নিয়েও বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিরাট কোহলি খুব তাড়াতাড়িই একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবে। কোহলি টেস্ট ক্রিকেটের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। টেস্ট ক্রিকেটে নিজের কেরিয়ার আরও দীর্ঘায়িত করতে চায়। তাই টেস্ট ক্রিকেটে আরও ভালভাবে মনোনিবেশ করার জন্য একদিনের ক্রিকেটেও নেতৃত্ব ছেড়ে দেবে। তবে কবে কোহলি একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব ছেড়ে দেবেন, সে বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলেননি রবি শাস্ত্রী। সামনের বছর জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ খেলে নেতৃত্ব ছাড়তে পারেন কোহলি।

নভেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup: হেড স্যার হিসেবে শেষ দিনে শাস্ত্রী ব্যর্থতার জন্য কেন দুষলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে?‌

অবশেষে দীর্ঘ পথের যাত্রার সমাপ্তি। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যে গায়ে সেঁটে যাব প্রাক্তনের ট্যাগ। ভারতীয় দলের হেড স্যার হিসেবে সোমবারই শেষদিন রবি শাস্ত্রীর। দুদফার কার্যকালে দেশকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। সে সীমিত ওভারের ক্রিকেটেই বলুন, কিংবা টি২০ ক্রিকেটে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও ব্যর্থতা। মেয়াদ শেষ হওয়ার দিনে আবেগপ্রবণ রবি শাস্ত্রী। ভারতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে সোমবার টি২০ বিশ্বকাপে নামিবিয়া ম্যাচই ছিল শেষ ম্যাচ। খেলা শুরুর আগে রবি শাস্ত্রী বলেন, ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে আমার কাছে এই যাত্রাটা অসাধারণ। যখন ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, আমি নিজেকে মনে মনে বলেছিলাম, পার্থক্য করতে চাই। আমার মনে হয় কাজটি আমি করতে সক্ষম হয়েছি। জীবনে কখনও কখনও সবকিছু অর্জন করা সম্ভব হয়না। তা সত্ত্বেও এই ছেলেরা গত ৫ বছরে যা অর্জন করেছে, যেভাবে বিশ্বজুড়ে খেলে বেড়িয়েছে, এবং সব ধরণের ফর্ম্যাটে যেভাবে পারফর্ম করেছে, তাতে বিশ্বে দুর্দান্ত দল হিসেবে নিজেদের প্রতিপন্ন করেছে। এ বিষয়ে আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই। তবে এটা দুর্ভাগ্যজনক যে, আমরা এই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছি। এই ব্যর্থতা দুর্দান্ত ভারতীয় দলের কাছ থেকে কিছু নিয়ে যায়নি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ব্যর্থতা সঙ্গী হলেও টেস্ট ক্রিকেটে নিজের দলকে এগিয়ে রেখেছেন রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লাল বলের ক্রিকেটে সিরিজ জিতে আমরা এগিয়ে আছি। এই এগিয়ে থাকাটা আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারব। কারণ ওদের বিরুদ্ধে আবার পরের বছর সিরিজ খেলব। সাদা বলের ক্রিকেটে প্রতিটি দলকে তাদের ঘরের মাঠে পরাজিত করেছি, যা আমার প্রচেষ্টা এবং দলের প্রচেষ্টা ছিল।এই দলটা দেখিয়েছে যে তাদের আরও অনেক দক্ষতা রয়েছে। ২০১৭ সালে পাকিস্তানের কাছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত পরাজিত হওয়ার পর হেড কোচ নিযুক্ত হন রবি শাস্ত্রী। বিদেশের মাটিতে সাফল্য থেকে এক নম্বর টেস্ট দল হওয়ার লক্ষ্যপূরণ হলেও কোহলিশাস্ত্রী জুটি ভারতকে কোনও আইসিসি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেনি।রবি শাস্ত্রীর উত্তরাধিকারী হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়। উত্তরসূরীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাস্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতীয় দল একজন ভাল কোচ পাচ্ছে। দ্রাবিড়কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমি মনে করি অভিজ্ঞতা দিয়ে দ্রাবিড় সময়মতো সেরাটা বার করে নিয়ে আসবে। এই দলে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রয়েচে যারা আরও ৩৪ বছর খেলবে। ভারতের এই দলটা রূপান্তরিত দল নয়। এটাই বড় পার্থক্য তৈরি করবে। কোহলিই এখনও দলে রয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে দারুণ কাজ করেছে। গত ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে সবথেকে বড় ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। যেভাবে দলকে খেলাতে চায় এবং গোটা দল যেভাবে তাকে আঁকড়ে ধরেছে, দল সম্পর্কে যেভাবে চিন্তা করে, তার জন্য অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতা প্রসঙ্গে শাস্ত্রী বলেন, আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আর সেটা আমার বয়সের কারণে। দীর্ঘ ৬ মাস বায়ো বাবলে থেকে এই দলের ক্রিকেটাররাও শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আইপিএল এবং বিশ্বকাপের মধ্যে একটা বড় ব্যবধান থাকলে ভাল হত। যখন কোনও বড় প্রতিযোগিতা আসে, চাপ তৈরি হয়, তখন পরিবর্তনের দরকার হয়। তবে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্য এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না। আমরা হারকে মেনে নিতে পারি, কারণ হারতে ভয় পাই না। আমরা জেতার চেষ্টা করেও পারিনি, কারণ এক্সফ্যাক্টর অনুপস্থিত ছিল। তবে এটা কোনও অজুহাত হতে পারে না।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‌কোহলি–শাস্ত্রী জুটির পরিসমাপ্তি, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পরিসংখ্যান

টি২০ ক্রিকেটে ভারতীয় দলের আর্ম ব্যান্ড হাতে আর মাঠে নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে না বিরাট কোহলিকে। বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন হিসেবে কোহলির ছিল শেষ ম্যাচ। কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীরও এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। শাস্ত্রীকোহলি জুটির সেরা সাফল্য ইংল্যান্ডের মাটিতে ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়। তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়াকে তাদের ঘরের মাটেতে দুদুবার টেস্ট সিরিজে হারিয়েছে ভারত। তবে আসল জায়গায় ব্যর্থ। আইসিসির কোনও প্রতিযোগিতায় দেশকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেনি এই জুটি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীর পরিসংখ্যান। ২০১৭ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির হাত থেকে টি২০ ক্রিকেটে দেশের দায়িত্ব তুলে নেন বিরাট কোহলি। তারপর থেকে তিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ৫০টি টি২০ ম্যাচে। সোমবার বিশ্বকাপে নামিবিয়ার বিরুদ্ধেই কোহলির ছিল অধিনায়ক হিসেবে ৫০ তম ম্যাচ। ৫০ তম ম্যাচে দলকে জয় এনে দিলেও বিশ্বকাপে ব্যর্থতার তকমা গায়ে সেঁটেই নেতৃত্ব থেকে সরে যেতে হল কোহলিকে। দেশকে ৫০টি টি২০ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৩০টিতে জয় এনে দিয়েছেন কোহলি। হেরেছেন ১৬টিতে। ২টি ম্যাচ টাই হয়েছে। আর ২টি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। কোহলির পূর্বসূরী মহেন্দ্র সিং ধোনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ৭২ ম্যাচে। জিতেছিলেন ৪১টি ম্যাচ। ২৮টি ম্যাচে হারতে হয়েছিল। ১ট ম্যাচ টাই, ২টি ম্যাচে কোনও ফলাফল হয়নি। অধিনায়ক হিসেবে বিরাট কোহলি ৫০টি টি২০ ম্যাচে রান করেছেন ১৫৭০। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে অধিনায়ক হিসেবে জীবনের শেষ টি২০ ম্যাচে ব্যাট হাতে মাঠে নামেননি কোহলি। টি২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী অধিনায়কদের মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন তিনি। তবে অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম ১ হাজার টি২০ রানের মালিক বিরাট কোহলি। মাত্র ৩০টি ইনিংসে তিনি এই মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন। অধিনায়ক হিসেবে সর্বাধিক হাফ সেঞ্চুরির মালিক ছিলেন কোহলি। এই বিশ্বকাপে তাঁকে টপকে গেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম, অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ও নিউজিল্যানন্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাকিস্তান, বাংলাদেশ বাদে সব টেস্ট খেলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ জেতারও নজির রয়েছে বিরাট কোহলির। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর জুটি হিসেবে দেখা যাবে না অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও কোচ রবি শাস্ত্রীকে। কোচ হিসেবে শাস্ত্রীর জমানায় ভারত ৪৩টি টেস্ট খেলেছে। জিতেছে ২৫টি এবং হেরেছে ১৩টিতে। একদিনের ক্রিকেটে ৭৬টি ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে ৫১টিতে, হেরেছে ২২টি। টি২০ ক্রিকেটে ৬৪টি ম্যাচে ভারতকে কোচিং করিয়েছেন শাস্ত্রী। জয় এসেছে ৪২টিতে এবং হার ১৮টিতে।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ravi Shastri : রবি শাস্ত্রীর দাবি, সঠিক সময়েই দায়িত্ব ছেড়ে যাচ্ছেন

এবছর টি২০ বিশ্বকাপের পরই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর কার্যকালের মেয়াদ শেষ। তাঁর হাতে আর নতুন করে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কথাও ভাবছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিরাট কোহলিদের হেড স্যারের দায়িত্ব অনিল কুম্বলের হাতে দেওয়ার ভাবনাচিন্তাও শুরু করেছেন বোর্ড কর্তারা। রবি শাস্ত্রীর দাবি, তিনি বোর্ডকে আগেই জানিয়েছিলেন বিশ্বকাপের পর আর কোচিং করাতে চান না। সঠিক সময়েই ছেড়ে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন রবি শাস্ত্রী। কোচ হিসেবে যা যা চেয়েছিলেন সবকিছুই পেয়েছেন বলে বলে দাবি করেছেন তিনি।সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেছেন, আমি যা যা চেয়েছি, সবই পেয়েছি। ৫ বছর ধরে টেস্ট ক্রিকেটে ১ নম্বর। অস্ট্রেলিয়ায় দুবার সিরিজ জিতেছি, ইংল্যান্ডেও সিরিজ জিতেছি। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে ওদের হারানো, ইংল্যান্ডকে হারানো, এ সবের চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমার কাছে কিছু হতে পারে না। ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে আমরা ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছি। লর্ডস ও ওভালে যেভাবে খেলেছি সত্যিই দুর্দান্ত। তিনি আরও বলেছেন, সাদা বলের ক্রিকেটেও প্রতিটি দেশে গিয়ে তাদের সিরিজ হারিয়ে এসেছি। টি২০ বিশ্বকাপ জিতলে সেটা অসাধারণ ব্যাপার হবে। এর থেকে বেশি কিছু চাই না। ভারতীয় বোর্ড কর্তারা তাঁকে আর হেড কোচের দয়িত্বে চাইছেন না। নিজের ভবিষ্যত বুঝে গেছেন শাস্ত্রী। তাই সম্মান নিয়েই সরে দাঁড়াচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি একটা কথা বিশ্বাস করি, যেখানে তোমাকে কেউ স্বাগত জানাবে না সেখানে মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর থাকা ঠিক নয়। দায়িত্ব যখন ছাড়তে চলেছি, প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কিছু পেয়েই দায়িত্ব ছাড়ছি। কোভিডের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে টেস্ট সিরিজ জেতা, ইংল্যান্ডে এগিয়ে থাকা আমার কাছে ভারতীয় ক্রিকেটে কাটানো চার দশকে সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক মুহূর্ত।ভারতীয় দলে করোনা সংক্রমণের জন্য তাঁর বই প্রকাশ অনুষ্ঠানকে দায়ী করা হলেও মানতে নারাজ শাস্ত্রী। বলেন, ওই অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে আমার কোনও আক্ষেপ নেই। হোটেলের ঘরে আবদ্ধ না থেকে ক্রিকেটাররাও যে কিছু মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পেরেছিলেন সেটাও খুব ভালো দিক। ওভাল টেস্টে যে সিঁড়ি ক্রিকেটারদের ব্যবহার করতে হয়েছে সেটা আরও ৫ হাজার মানুষ ব্যবহার করেছেন। তাহলে শুধু বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের দিকেই তাহলে কেন আঙুল তোলা হবে? ওই অনুষ্ঠানে ২৫০র মতো মানুষ উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের কারও তো কোভিড হয়নি। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের জন্য আমার করোনা হয়নি। কেন না, ৩১ অগাস্ট ছিল বই প্রকাশ অনুষ্ঠান। আমার করোনা ধরা পড়ে ৩ সেপ্টেম্বর। আমার ধারণা, লিডসেই করোনা ভাইরাসের কবলে পড়ি। ১৯ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডে সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। হোটেল, লিফট সব কিছু স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসে। কোনও বিধিনিষেধই ছিল না।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kohli and Shastri : শাস্ত্রী ও কোহলির ওপর অসন্তুষ্ট বোর্ড, চাওয়া হবে কৈফিয়ত

জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও রবি শাস্ত্রীসহ তিন সাপোর্ট স্টাফ কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কেউ কেউ মনে করছেন হোটেলের লিফটে চলাচলের সময় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে যেখানেই আক্রান্ত হোন না কেন, রবি শাস্ত্রী, বিরাট কোহলিদের ওপর বেজায় চটেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। কেন বোর্ডের অনুমতি ছাড়া অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন, তার কৈফিয়ত চাওয়া হবে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্তা বলেছেন, ওই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের ছবি ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় বোর্ডের মুখ পুড়েছে। ওভালের ওই ঘটনার জন্য কোচ ও অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হবে। লন্ডনের যে হোটলে ভারতীয় দল রয়েছে, সেখানেই গত মঙ্গলবার রবি শাস্ত্রীর নিজের বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথি হাজির ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন, সেই অনুষ্ঠান থেকেই কোনও ভাবে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন ভারতীয় দলের হেড কোচ। শাস্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দলের আরও যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন, সেই বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর এবং ফিজিয়ও নীতিন প্যাটেলও ওই অনুষ্ঠানে ছিলেন।হোটেলে বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল। শাস্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উঠেছিলেন কোহলি। অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য কেউই ভারতীয় বোর্ডের অনুমতি নেননি। দুজনের কাছেই কৈফিয়ত চাওয়া হবে বলে বোর্ডের একটা সূত্র থেকে জানা গেছে। দলের প্রশাসনিক ম্যানেজার গিরিশ ডোংরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি কোনও বোর্ডেরই অনুমোদিত ছিল না।এদিকে, আজই লন্ডন থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে পৌঁছে গেল ভারতীয় দল। রবি শাস্ত্রীসহ ৩ সাপোর্ট স্টাফ লন্ডনের হোটেলেই আইসোলেশনে রয়েছেন। ট্রেনে চড়ে ম্যাঞ্চেস্টার সফরের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে। শুক্রবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে শুরু পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ravi Shastri : ম্যাঞ্চেস্টারে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা

তাঁর ল্যাটেরাল ফ্লো টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ফলে দলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী। শুধু শাস্ত্রী নন, বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেউই ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না। পলে পঞ্চম টেস্টে অভিভাবকহীন হয়ে পড়লেন বিরাট কোহলিরা। হেড কোচ রবি শাস্ত্রীকে ছাড়াই সিরিজ নির্ণায়ক টেস্ট খেলতে নামতে হবে ভারতকে।আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপউইকেটকিপার ঋষভ পন্থ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে ভারতীয় শিবিরে নিয়মিত ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষার রীতি চালু হয়েছে। সব ক্রিকেটারকে কিট দেওয়া হয়। প্রেগনেন্সি টেস্টের মতো নিজে নিজেই এই পরীক্ষা করা যায়। এই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে তারপর আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য। শাস্ত্রীর দুবার ল্যাটেরাল ফ্লো পরীক্ষা হয়েছিল। দুটি রিপোর্টই পজিটিভ আসে। তারপরই আরটিপিসিআর টেস্ট করা হয়। সেই রিপোর্টেও পজিটিভ এসেছে। বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রী ধরের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ। তিনজনকেই ১০ দিন লন্ডনে হোটেলে আইসোলেশনে থাকতে হবে। ফলে ম্যাঞ্চেস্টার যেতে পারবেন না এই ৩ সাপোর্ট স্টাফ। মঙ্গলবারই ভারতীয় দলের ম্যাঞ্চেস্টার যাওয়ার কথা।আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেররবি শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসা নীতিন প্যাটেলের আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও তাঁকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, শাস্ত্রীর হালকা গলা ব্যথা রয়েছে। করোনার মৃদু উপসর্গও রয়েছে। বাকিদের কোনও উপসর্গ নেই। নীতিন প্যাটেলের রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও ওকে ম্যাঞ্চেস্টার নিয়ে যাওয়া হবে না। এটা আগে থেকেই ঠিক ছিল। ব্যাটিইং কোচ বিক্রম রাঠোরই ম্যাঞ্চেস্টারে দায়িত্ব সামলবে। ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের জন্য আলাদা বায়ো বাবল তৈরি করা হবে।আরও পড়ুনঃ লাইনে হুড়োহুড়ি নয়, এই জেলায় বাড়িতে বসেই মিলবে কোভিড-টিকার কুপনভারতীয় দলের প্রত্যেকেই করোনা ভ্যাকসিনের দুটি করে ডোজ নিয়েছেন। তারপরও শাস্ত্রী কীভাবে করোনার কবলে পড়লেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মনে করা হচ্ছে, টিম হোটেলে ওভাল টেস্ট শুরুর আগের দিন রবি শাস্ত্রীর বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে বাইরের অনেক অতিথিই এসেছিলেন, তাঁরা শাস্ত্রীর কাছাকাছিও পৌঁছে কথা বলেছিলেন। ওই অনুষ্ঠানে ভরত অরুণ, শ্রীধর ও প্যাটেল শাস্ত্রীর কাছাকাছিই ছিলেন। ওই অনুষ্ঠান থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় বড়সড় ‘অ্যাকশন’! ২৫২টি বন্ধের নির্দেশ, শোকজ আরও ১০০—সরকারি সমীক্ষায় চাঞ্চল্য

অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ রাজ্যের, জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের পর সিদ্ধান্ত।মাদ্রাসা নিয়ে বাংলায় এবার বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ। রাজ্যজুড়ে মাদ্রাসাগুলির উপর চালানো সমীক্ষার পর প্রথম দফায় ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১০০টি মাদ্রাসাকে শোকজ করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা-সহ রাজ্যের ২২টি জেলায় মাদ্রাসাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। গত ২২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-পর্বে শুধু অনুমোদন রয়েছে কি না, তা-ই নয়পরিচালন ব্যবস্থা, পড়ুয়ার সংখ্যা, শিক্ষক-শিক্ষিকার উপস্থিতি, অর্থের উৎস, নথিপত্র, রেজিস্ট্রেশন এবং পরিকাঠামো-সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখা হয়েছে।সমীক্ষার রিপোর্ট সামনে আসতেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন বা নির্দিষ্ট স্বীকৃতি ছাড়াই চলছে বলে প্রশাসনের তরফে দাবি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২,৩৯৬। এর মধ্যেই প্রথম ধাপে ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি বন্ধের নোটিস জারি করেছে সরকার।খারিজি মাদ্রাসাই কি নিশানায়?সরকারি পদক্ষেপের আওতায় আসা ২৫২টি মাদ্রাসার বড় অংশই খারিজি বা বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত মাদ্রাসা বলে খবর। এই প্রতিষ্ঠানগুলির বৈধতা, পরিচালন পদ্ধতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েই মূলত প্রশাসনের নজরদারি।তবে সরকারের অবস্থানও স্পষ্টকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি স্বীকৃতির বাইরে থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চলতে পারে না। যে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই কিংবা ন্যূনতম পরিকাঠামো ও নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ, তাদের বিরুদ্ধে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুধু বন্ধ নয়, শোকজ-এর পরেও কড়া বার্তাপ্রথম দফায় ২৫২টি মাদ্রাসাকে বন্ধের নোটিস দেওয়া হলেও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানকে আপাতত দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিস। অর্থাৎ, তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের প্রশ্নকোন আইনি অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান চলছে? কতজন পড়ুয়া রয়েছে? শিক্ষক কারা? অর্থ আসছে কোথা থেকে? পর্যাপ্ত ভবন ও শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে কি না? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।জানা যাচ্ছে, সন্তোষজনক উত্তর বা প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারলে শোকজ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধেও পরবর্তী ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ করা হতে পারে।২২ জেলায় নথি যাচাইতারপরই সিদ্ধান্তমাদ্রাসা নিয়ে এই অভিযান হঠাৎ করে নয়। রাজ্য সরকারের নির্দেশেই জেলায় জেলায় শুরু হয়েছিল সমীক্ষা। কলকাতা-সহ ২২টি জেলার মাদ্রাসাগুলির নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়।সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে দাবি, অনুমোদিত মাদ্রাসাগুলি নিয়ম মেনেই চলছে। কিন্তু অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষেত্রে সরকার আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না।মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর বক্তব্য, মাদ্রাসাগুলির যাবতীয় নথি সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়েছে। অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলি চালু রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।সরকারের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ, প্রশ্ন তুললেন ত্বহা সিদ্দিকীতবে সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্নও উঠছে। ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেনকেন কোনও মাদ্রাসাকে শোকজ করা হচ্ছে, কেনই বা বন্ধ করা হচ্ছে, তা আগে সাধারণ মানুষকে জানানো হোক।তাঁর বক্তব্য, বহু মাদ্রাসা সাধারণ মানুষের অনুদান ও সাহায্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসায় শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হয় না, সরকারি পাঠ্যক্রমও পড়ানো হয় বলে দাবি তাঁর।ফলে সরকারের প্রশাসনিক যুক্তির বিপরীতে উঠে আসছে অন্য প্রশ্নঅনুমোদনের মাপকাঠি কী? কোন প্রতিষ্ঠান নিয়মবহির্ভূত এবং কোনটি নয়? আর বহু বছর ধরে চলা প্রতিষ্ঠানগুলির ভবিষ্যৎই বা কী?রাজনীতির ময়দানেও বাড়ছে উত্তাপমাদ্রাসা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, সংখ্যালঘু শিক্ষা এবং সরকারি অনুমোদনের প্রশ্নের সঙ্গে এবার সরাসরি যুক্ত হচ্ছে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বনাম দীর্ঘদিনের সামাজিক উদ্যোগে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলির স্বাধীনতা।একদিকে সরকারের যুক্তিআইন ও নিয়মের বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া যায় না। অন্যদিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের একাংশের বক্তব্যশুধু সরকারি অনুমোদনের অভাবকে কেন্দ্র করে কোনও প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।ফলে ২৫২টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ এখন শুধু প্রশাসনিক ফাইলের বিষয় নয়; তা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনীতি ও সংখ্যালঘু শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়েছে।উত্তরাখণ্ডের পর বাংলাতেও কড়া পদক্ষেপঅনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের নজির অন্য রাজ্যেও রয়েছে। উত্তরাখণ্ডে ইতিমধ্যেই একাধিক অননুমোদিত মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলার এই পদক্ষেপকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।এখন মূল নজর শোকজ পাওয়া প্রায় ১০০টি মাদ্রাসার জবাবের দিকে। তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিকাঠামোর প্রমাণ দিতে পারে কি না, তার উপরই নির্ভর করছে পরবর্তী পদক্ষেপ।তবে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্টমাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে আর নজরদারির বাইরে রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ২৫২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রথম দফার এই অ্যাকশন আগামী দিনে আরও বড় প্রশাসনিক অভিযানের ইঙ্গিত কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
বিদেশ

পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে যাত্রীবাহী ট্রেনে রুশ ড্রোন হামলা! ইউক্রেন যুদ্ধ কি এবার ন্যাটোর দরজায়?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার পশ্চিম ইউক্রেনে ঘটনাটি ঘটে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলায় ট্রেনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ২০৬ জন যাত্রীর কেউ আহত হননি বলে দাবি করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পোল্যান্ডের একটি রেল সংস্থার পরিচালিত ওই ট্রেনটি কিয়েভ থেকে ওয়ারশের দিকে যাচ্ছিল। পথে আচমকাই ট্রেনটির উপর একের পর এক রুশ ড্রোন হামলা হয় বলে অভিযোগ। হামলার জেরে ট্রেনে আগুন ধরে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে।তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পর প্রায় ছঘণ্টা ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি এমন একটি সময়ে ঘটল, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে গোটা ইউরোপেই নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।পোল্যান্ডের কাছে এই ঘটনার গুরুত্ব আরও বেশি বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটোর চুক্তি অনুযায়ী, কোনও সদস্য দেশের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলা হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্য সদস্যদেশগুলির সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হতে পারে।তবে রবিবারের ঘটনাটিকে সরাসরি পোল্যান্ডের উপর রুশ হামলা হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকেরা। তাঁদের একাংশের মতে, পোল্যান্ড সীমান্তের এত কাছে এমন ঘটনা ন্যাটোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। রাশিয়ার উদ্দেশ্য ন্যাটোর প্রস্তুতি ও ঐক্য পরীক্ষা করা কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া যদি ভবিষ্যতে পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তার প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা কম। কারণ পোল্যান্ড ন্যাটোর সদস্য। সে ক্ষেত্রে গোটা ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেই বড় পরিবর্তন আসতে পারে।তবে রবিবারের হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পরিস্থিতির মধ্যে পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে এই হামলার অভিযোগ নতুন করে ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাইরাশিয়া যদি সত্যিই পোল্যান্ডের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালায়, তখন ন্যাটো কী পদক্ষেপ করবে?

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
দেশ

একের পর এক ভূমিধসে বসে যাচ্ছে আস্ত পাহাড়! সিকিমে হড়পা বানের আতঙ্ক, সরানো হল ৩৮ পরিবার

পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম এবং সংলগ্ন রিম্বি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভূমিধসের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পাহাড়ের ঢাল থেকে কাদা, পাথর ও গাছের ধ্বংসাবশেষ নেমে আসছে। এর জেরে রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকায় সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় সিঙ্গলিথামের বেশ কয়েকটি বাড়িও ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে ক্রমাগত কাদা, বড় পাথর এবং গাছ নেমে এসে স্থানীয় ঝোরার গতিপথ আটকে দিচ্ছে। ফলে রিম্বির নিচের দিকে আচমকা হড়পা বান নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ধীরে ধীরে বসে যাওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতির অবনতি শুরু হয়। টানা ভারী বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে যাওয়ায় মাটি, কাদা এবং পাথর ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে আসছে। স্থানীয়দের দাবি, গত অগস্ট মাস থেকেই ওই এলাকায় ভূমিধস শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধস গ্রামের দিকে এগিয়ে আসছে।ভূমিধসের ধ্বংসস্তূপে রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কয়েকটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও। স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এবং যাত্রীদের বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে শুরু করেছেন।প্রশাসনের তরফে ইতিমধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। পাহাড়ের ঢাল আরও নরম হলে নতুন করে ধস নামার আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঝোরা অবরুদ্ধ হলে নিচের এলাকায় হড়পা বান তৈরি হতে পারে কি না, সেই দিকেই এখন নজর স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বড় চমক মমতার, আসন্ন উপনির্বাচনে ২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার দলের তরফে জানানো হয়েছে, নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন সঞ্চিতা প্রধান (দে)। পাশাপাশি, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য রাবিউল আলম চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বিতার জল্পনার অবসান হল।দলের এই ঘোষণা এমন সময়ে এল, যখন শনিবারই তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করলে তারা ওই কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে না। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর তরফে মমতাকে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করে বিধানসভায় ফেরার আহ্বানও জানানো হয়েছিল।১৫ বছর পর বিধানসভার বাইরে মমতা?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১০৫ ভোটে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামেও শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুরের উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে বিধানসভায় প্রবেশ করেন মমতা। ২০১৬ সালে ফের ভবানীপুর থেকে জয় পান তিনি। ২০২১ সালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর উপনির্বাচনে জিতে আবারও বিধানসভায় জায়গা করে নেন। তৃণমূল নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা করায় এবার দীর্ঘ ১৫ বছর পর তাঁকে বিধানসভার বাইরে থাকতে হতে পারে।কেন নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন?২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে তিনি ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণেই নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হচ্ছে।নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হবে। ভোটের গণনা ৯ অক্টোবর। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর।তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল অব্যাহতপ্রার্থী ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিবাদ আরও জটিল হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদুই পক্ষই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। উভয় শিবিরই দলের নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং জোড়াফুল প্রতীকের স্বীকৃতি দাবি করেছে।১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের বক্তব্য শোনে নির্বাচন কমিশন। বিদ্রোহী শিবিরের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ১৬ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমার আগে দলের প্রতীক ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ত্রীর পুরনো হাসি ভুলতে পারেননি! ৮৮ বছর বয়সে নিজের হাতেই বানিয়ে ফেললেন তাঁর মুখ

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা ৮৮ বছরের ভূপতিরঞ্জন দেবনাথ। দীর্ঘ কর্মজীবনে মধ্যমগ্রাম হাই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। প্রায় তিন দশক আগে অবসর নিয়েছেন। এখন পেনশনের টাকাতেই চলে তাঁর সংসার। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংসারে একের পর এক কঠিন সময় এসেছে তাঁর জীবনে।ভূপতির স্ত্রী অঞ্জলির বয়স সত্তরের কোঠায়। তাঁদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে। দুই মেয়েরই মধ্যমগ্রামে বিয়ে হয়েছে। বাড়িতে রয়েছেন পুত্রবধূ এবং নাতিও। তবে করোনা অতিমারির সময় একমাত্র ছেলেকে হারিয়েছেন ভূপতি ও অঞ্জলি। ছেলের পরিবারকেও এরপর নিজেদের দায়িত্বে আগলে রেখেছেন তাঁরা।এরই মধ্যে গত ছমাস ধরে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী অঞ্জলি। বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছেন যে, এখন হাতে কলম নিয়ে সই করাও তাঁর পক্ষে সম্ভব হয় না। একসময় যে স্ত্রী সংসারের নানা কঠিন পরিস্থিতিতেও হাসিমুখে সব সামলে নিতেন, আজ সেই মুখেই অসুস্থতার ছাপ স্পষ্ট।কিন্তু স্ত্রীর সেই পুরনো হাসি এখনও ভুলতে পারেননি ভূপতি। বরং সেই হাসিই তাঁর মনে আজও একই রকম উজ্জ্বল। তাই স্ত্রীর মুখের সেই পুরনো অবয়ব এবং হাসিকে ধরে রাখতে নিজের হাতেই তৈরি করেছেন একটি প্রতিকৃতি।শিক্ষকতার পাশাপাশি হাতের কাজেও যথেষ্ট দক্ষ ছিলেন ভূপতি। কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে মাটি, নারকেলের খোল, গাছের ডাল-সহ নানা সাধারণ উপকরণ দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করেছেন তিনি। ফেলে দেওয়া জিনিস তাঁর হাতে নতুন রূপ পেয়েছে। সেইসব কাজ এখনও তাঁর বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় যত্ন করে রাখা রয়েছে।এ বার সেই দক্ষতাকেই কাজে লাগিয়েছেন নিজের জীবনসঙ্গীর স্মৃতি ধরে রাখতে। প্লাস্টার অফ প্যারিস দিয়ে তৈরি করেছেন অঞ্জলির হাসিমুখের একটি প্রতিকৃতি। বাড়ির একটি শোকেসে রাখা রয়েছে সেই মূর্তি। স্ত্রীর পাশে বসে থাকার সময় কখনও অসুস্থ অঞ্জলির দিকে তাকান, কখনও আবার চোখ চলে যায় সেই হাসিমুখের প্রতিকৃতির দিকে।ভূপতির কথায়, তাঁদের দাম্পত্য জীবন প্রায় ৫৯ বছরের। অঞ্জলি বরাবরই হাসিখুশি থাকতে ভালোবাসতেন। সংসারে যত সমস্যাই আসুক, তিনি কখনও তা প্রকাশ করতেন না। হাসিমুখেই কঠিন সময় পার করেছেন। সেই হাসিই ছিল ভূপতির কাছে বড় ভরসা।আজ অঞ্জলি অসুস্থ। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিও নেই। মুখের সেই পুরনো হাসিও আর দেখা যায় না। কিন্তু ভূপতির স্মৃতিতে অঞ্জলির হাসি এখনও একই রকম জীবন্ত। সেই হাসিকে অমলিন রাখতেই স্ত্রীর মুখের আদলে তৈরি করেছেন এই প্রতিকৃতি।পুরনো দিন আর ফিরে আসবে না, তা জানেন ৮৮ বছরের ভূপতি। তবু তাঁর একটাই আশা, স্ত্রী আবার শারীরিক সমস্যা কাটিয়ে উঠে একটু হাঁটাচলা করতে পারবেন, আগের মতো তাঁর পাশে বসতে পারবেন। আর সেই আশার সঙ্গেই ঘরের শোকেসে হাসিমুখে থেকে গিয়েছে অঞ্জলির সেই পুরনো মুখ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি? কেনার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি, সঠিক নিয়মে পুজোয় পাবেন হাতে নাতে ফল

ভগবান গণেশকে উৎসর্গ করে পালিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, জ্ঞানদাতা এবং শুভ সূচনার দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন থেকেই শুরু হবে দশ দিনব্যাপী গণেশ উৎসব।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, গণেশ চতুর্থীর দিন বাড়িতে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পুজো করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস, এই সময় বাপ্পাকে বাড়িতে স্বাগত জানালে জীবনের বাধা-বিপত্তি দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি আসে। তবে মূর্তি কেনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সৌন্দর্য বা সাজসজ্জা দেখলেই হবে না। ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মূর্তির উচ্চতা, ভঙ্গি, রং, শুঁড়ের দিক এবং বাহনের উপস্থিতিরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হয়।কেমন হওয়া উচিত গণেশের মূর্তি?বাস্তুশাস্ত্রের প্রচলিত মত অনুযায়ী, বাড়িতে পুজোর জন্য গণেশের মূর্তি খুব বড় হওয়া উচিত নয়। সাধারণত ৯ থেকে ১১ ইঞ্চি উচ্চতার মূর্তিকে গৃহস্থের পুজোর জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এর তুলনায় বড় মূর্তি রাখলে পুজো ও বিসর্জনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সমস্যা হতে পারে বলেও মত রয়েছে।মূর্তির ভঙ্গির দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলা হয়। বাড়িতে পুজোর জন্য উপবিষ্ট গণেশের মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই ভঙ্গি শান্তি, স্থায়িত্ব ও সুখের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, চার হাতের গণেশ মূর্তির ক্ষেত্রে উপরের বাম হাতে পাশ, ডান হাতে অঙ্কুশ, নীচের বাম হাতে মোদক এবং নীচের ডান হাত অভয় মুদ্রায় থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।গণেশের শুঁড় কোন দিকে থাকবে?গণেশের মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, বাম দিকে বাঁকানো শুঁড়যুক্ত গণেশের মূর্তি বাড়িতে স্থাপনের জন্য শুভ। এই ধরনের গণেশকে বামামুখী গণেশ বলা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রূপ শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতীক।অন্যদিকে, ডান দিকে বাঁকানো শুঁড়ের গণেশকে সিদ্ধিবিনায়ক বলা হয়। এই রূপকে তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী বলে মনে করা হয় এবং তাঁর পুজোয় বিশেষ নিয়মকানুন মেনে চলার প্রচলন রয়েছে। তাই বাড়ির পুজোর জন্য মূর্তি কেনার সময় শুঁড়ের দিকটি খেয়াল করার পরামর্শ দেওয়া হয়।গণেশের বাহন ইঁদুর থাকা কি জরুরি?ভগবান গণেশের বাহন ইঁদুর। তাই মূর্তি কেনার সময় গণেশের পায়ের কাছে তাঁর বাহন ইঁদুরের মূর্তি রয়েছে কি না, সেটিও দেখে নেওয়ার কথা বলা হয়।প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির সঙ্গে তাঁর বাহন ইঁদুরের উপস্থিতির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। তাই সম্পূর্ণ মূর্তি কেনার সময় এই বিষয়টিও নজরে রাখা হয়।কোন দিকে মুখ করে থাকবে গণেশের মূর্তি?বাড়িতে গণেশের মূর্তি স্থাপনের ক্ষেত্রে দিকেরও গুরুত্ব রয়েছে বলে বাস্তুশাস্ত্রে প্রচলিত মত রয়েছে। সেই অনুযায়ী, গণেশের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে রেখে মূর্তি স্থাপন করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর সময়ও গণেশের মুখ যেন পূর্ব অথবা উত্তর দিকে থাকে, সেদিকে নজর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।তবে গণেশের মূর্তির আকার, ভঙ্গি, শুঁড়ের দিক কিংবা মূর্তি স্থাপনের দিক নিয়ে প্রচলিত এই ধারণাগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক মত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

১৪ নাকি ১৫ সেপ্টম্বর, কবে পালিত হবে গণেশ চতুর্থী? জানুন ঠিক কোন সময়ে পুজোয় মিলবে দ্বিগুণ আর্শীবাদ?

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব গণেশ চতুর্থী। গণেশোৎসব নামেও পরিচিত এই উৎসব ভগবান গণেশের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়। জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবতা গণেশের আরাধনা করে ভক্তরা সুখ, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতেই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল। সাধারণত ১০ দিন ধরে চলে এই উৎসব। অনন্ত চতুর্দশীর দিন গণেশ বিসর্জনের মাধ্যমে উৎসবের সমাপ্তি হয়।গণেশ চতুর্থী ২০২৬ কবে?দ্রিক পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর। গণেশ বিসর্জন হবে শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর। উৎসবের শুরুতে বাড়ি ও বিভিন্ন মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো, প্রার্থনা ও আরতির মাধ্যমে চলে বাপ্পার আরাধনা। ফুল, ধূপ, প্রদীপ, ফল, মিষ্টি এবং বিশেষ করে মোদক নিবেদন করা হয় গণেশকে।গণেশ চতুর্থী ২০২৬-এর পুজোর শুভ মুহূর্তগণেশ পুজোর ক্ষেত্রে মধ্যাহ্নকালকে বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সময়েই ভগবান গণেশের জন্ম হয়েছিল।১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ পুজোর শুভ সময়:সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত।গণেশ চতুর্থীর তিথি শুরু হবে ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৬ মিনিটে এবং শেষ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ৪৪ মিনিটে।শহরভেদে গণেশ পুজোর শুভ সময়বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় অনুযায়ী গণেশ পুজোর শুভক্ষণে সামান্য পার্থক্য রয়েছে।পুনে: সকাল ১১টা ১৬ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৪ মিনিটনয়াদিল্লি: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচেন্নাই: সকাল ১০টা ৫১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১৮ মিনিটজয়পুর: সকাল ১১টা ৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটহায়দরাবাদ: সকাল ১০টা ৫৮ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটগুরগাঁও: সকাল ১১টা ৩ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩১ মিনিটচণ্ডীগড়: সকাল ১১টা ৪ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটকলকাতা: সকাল ১০টা ১৮ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটমুম্বই: সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৮ মিনিটবেঙ্গালুরু: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ২৮ মিনিটআহমেদাবাদ: সকাল ১১টা ২১ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪৯ মিনিটনয়ডা: সকাল ১১টা ২ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটকীভাবে পালিত হয় গণেশ চতুর্থী?গণেশ চতুর্থীর উৎসব শুরু হয় বাড়ি বা মণ্ডপে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। এরপর প্রাণপ্রতিষ্ঠা, পুজো ও আরতি করা হয়। ভক্তরা বাপ্পাকে ফুল, ফল, দূর্বা, ধূপ এবং বিভিন্ন মিষ্টি নিবেদন করেন। এর মধ্যে গণেশের প্রিয় মিষ্টি হিসেবে মোদকের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।অনেক পরিবারে গণেশের মূর্তি বাড়িতে এনে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে কয়েক দিন ধরে পুজো করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন শহর ও এলাকায় বড় বড় মণ্ডপ তৈরি করে গণেশোৎসবের আয়োজন করা হয়। পুজোর পাশাপাশি সেখানে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, সঙ্গীতানুষ্ঠান, খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগও দেখা যায়।উৎসবের শেষ দিনে গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জলাশয়ে বাপ্পার বিসর্জনের মাধ্যমে গণেশোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
রাজ্য

রাশি অনুযায়ী বেছে নিন গণপতি বাপ্পার মূর্তির রং, কোন রাশির জন্য কোন রং শুভ?

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বাড়িতে গণপতি বাপ্পার মূর্তি স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ভক্তরা। মূর্তি কেনার সময় সাধারণত আকার, রূপ, ভঙ্গি এবং পুজোর নিয়মের দিকে নজর দেওয়া হয়। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, গণেশের মূর্তির রঙেরও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিভিন্ন রঙের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রহ এবং তাদের বৈশিষ্ট্যের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। সেই বিশ্বাস অনুযায়ী, নিজের রাশি অনুসারে গণেশের মূর্তির রং বেছে নিলে শুভ ফল পাওয়া যেতে পারে।২০২৬ সালে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে ১৪ সেপ্টেম্বর। প্রচলিত জ্যোতিষীয় মতে, ওই সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করবে। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কোন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়।মেষ ও বৃষ রাশির জন্য লাল ও হালকা গোলাপিমেষ রাশির অধিপতি গ্রহ মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলের সঙ্গে লাল রঙের সম্পর্ক রয়েছে। তাই মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লাল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সাহস, কর্মশক্তি ও সংকল্পের প্রতীক। জীবনের বাধা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে লাল গণপতির আরাধনা ফলদায়ক হতে পারে বলে বিশ্বাস।বৃষ রাশির অধিপতি শুক্র। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ক্রিম বা হালকা গোলাপি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, আরাম, সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।মিথুন ও কর্কটের জন্য সবুজ ও সাদামিথুন রাশির অধিপতি বুধ। তাই মিথুন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সবুজ রং বুদ্ধি, যোগাযোগ, শিক্ষা ও ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কিত।কর্কট রাশির অধিপতি চন্দ্র। তাই এই রাশির জন্য সাদা রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। সাদা রং শান্তি, পবিত্রতা, মানসিক স্থিরতা এবং পারিবারিক সম্প্রীতির প্রতীক বলে বিশ্বাস করা হয়।সিংহ ও কন্যার জন্য কমলা ও সবুজসিংহ রাশির অধিপতি সূর্য। এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য কমলা, জাফরান বা হালকা সোনালি রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং আত্মবিশ্বাস, প্রাণশক্তি, নেতৃত্ব এবং অভ্যন্তরীণ শক্তির প্রতীক।কন্যা রাশির অধিপতিও বুধ। তাই কন্যা রাশির জন্য সবুজ রঙের গণেশ মূর্তি উপযুক্ত বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে মনে করা হয়। সবুজ রং বুদ্ধি, দক্ষতা ও যোগাযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।তুলা ও বৃশ্চিকের জন্য গোলাপি ও মেরুনতুলা রাশির অধিপতি শুক্র। তাই এই রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গোলাপি এবং হালকা নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং সৌন্দর্য, সম্পর্কের ভারসাম্য, সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক।বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীর সময় চন্দ্র তুলা রাশিতে অবস্থান করার বিষয়টিকেও জ্যোতিষীয় দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৃশ্চিক রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য গাঢ় লাল বা মেরুন রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। এই রং শক্তি, মানসিক সাহস এবং নিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।ধনু ও মীনের জন্য হলুদধনু রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। তাই ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে মনে করা হয়। হলুদ রং শিক্ষা, সমৃদ্ধি এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক বলে জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়।মীন রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও হলুদ রঙের গণেশ মূর্তি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। বৃহস্পতির সঙ্গে হলুদ রঙের সম্পর্ক থাকায় এই রঙকে জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।মকর ও কুম্ভের জন্য মাটির রং ও নীলমকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য ধূসর, পাথুরে বা মাটির মতো বাদামি রঙের গণেশ মূর্তি বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই রং শনির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও ধীরস্থির অগ্রগতির প্রতীক বলে মনে করা হয়।অন্যদিকে, কুম্ভ রাশির জন্য নীল রঙের গণেশ মূর্তি শুভ বলে জ্যোতিষীয় বিশ্বাস রয়েছে। নীল রং স্থিরতা, গভীরতা ও মানসিক দৃঢ়তার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।তবে রাশি অনুযায়ী গণেশ মূর্তির রং বেছে নেওয়ার এই ধারণাগুলি মূলত জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে প্রচলিত। ব্যক্তিগত বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি এবং স্থানীয় প্রথা অনুযায়ী গণেশ পুজোর নিয়ম ও পছন্দ ভিন্ন হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal